সাম্যের প্রভাতফেরী
মুহাম্মদ সজীব হোসাইন
অগ্নিমন্ত্রে উদ্ভাসিত হলো জাতির অবিনশ্বর প্রার্থনা,
কোটা আন্দোলনের প্রভাতফেরীতে বিলীন হলো বিষাক্ত রাজপ্রাসাদ।
লাল-সবুজের দীপ্তিতে দীপিত হলো বাংলার নব সূর্যোদয়,
অধিকাররুদ্ধের নিন্দিত শাসনের পতনে জনতার জয়।
শত সহস্র তরুণের রক্তে রঞ্জিত মাটির বুক,
সেখানে লেগেছে স্বাধীনতার অমর দ্যোতনা, নয় কোনো প্রতিকূলে বর্জিত শোক।
অসহায় চক্রান্তের বিষবাষ্পে দগ্ধ নয়নের আলো,
তবু প্রতিজ্ঞা ছিল অনমনীয়, গড়তে হবে আলোকিত ভবিষ্যৎ কালো।
রাজাকার অপবাদে যারা আড়ালে রাখল সত্যের জয়,
তাদের মুখোশ খুলল জনতার করাল বিদ্রোহের অগ্নি।
অবশেষে পতন হলো দুষ্কৃতির প্রবল রাজ্যে,
নতুন ভোরের প্রভাতে উঠল স্বাধীনতার মহাকাব্য।
সাজাবো মসজিদ শুদ্ধতার আঙিনায়,
সেখানে মিলবে সকলের অন্তরের সায়।
সাম্যের মশাল জ্বালাই ভেদাভেদের শেষে,
মানবতার জয়গান উঠুক আমার এই সোনার বাংলাদেশে।
বৈষম্যের বিষময় বালুকায় তৈরি করব শুদ্ধ মন্দির,
যেখানে সাম্যের দীপশিখা জ্বলবে প্রখর।
দূর্নীতির কলুষিত স্রোত ভাঙবে আমাদের অটল ব্রত,
ধর্ম-বর্ণের সব পার্থক্য মুছে গড়বো এক আদর্শ রাষ্ট্র।
আমরা সেই উজ্জ্বলতার পথিক, যেখানে আকাশের অন্তরে,
সাম্যের মন্ত্রে বাঁধা থাকবে সমাজের নব কল্লোল।
ধর্ম-বর্ণের সকল বিভেদ দূর করে,
উদ্ভাসিত করবো একতাভিত্তিক পৃথিবীর উজ্জ্বল সমারোহ।